Home ইসলাম সফরে নফল নামায

সফরে নফল নামায

by admin
০ comment

১.হযরত ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে : রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে বিতর এবং রাত্রের নফল নামায সোয়ারীর পিঠে এশারা করে পড়তেন। তবে ফরয নামায সোয়ারীর পিঠে পড়তেন না। (সহীহ আল বুখারি ও সহীহ মুসিলম)
ইমাম শাফেয়ী রহ. বলেছেন : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমল থেকে একথা প্রমাণিত যে, তিনি সফরে নামায কসর করতেন, রাত্রে নফল নামাযও পড়তেন।
২.হযরত আমের ইবনে রাবীয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে সফরকালে রাত্রিবেলায় সোয়ারীর পিঠে বসে নফল নামায পড়তে দেখেছি। আসলে এটা ছিলো কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ নামায। (সহীহ বুখারি ও সহীহ মুসলিম)
ইমাম আহমদকে সফরে নফল পড়া সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন : আমি আশা করি সফরে নফল পড়লে কোনো দোষ হবেনা।
৩.হযরত হাসান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন : রাসূলুল্লাহ সাহাবিগণকে সফরে ফরয নামাযের আগে পরে নফল নামায পড়তেন। হযরত ওমর, আলী, ইবনে মাসউদ, জাবের, আনাস, ইবনে আব্বাস, আবুযর রাদিয়াল্লাহু আনহুম অনুরূপ করতেন বলে বর্ণিত হয়েছে।
৪.হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর রাদিয়াল্লাহু আনহু সফরে ফরয নামাযের আগে পরে কোনো সুন্নাত নামায পড়তেন না। কেবল শেষ রাত্রে বিতর ও তাহাজ্জুদ পড়তেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রীতি এই ছিলো যে, তিনি সফরে ফরয নামায কসর করতেন এবং ফরযের আগে পরে আর কোনো নামায পড়তেন না।

You may also like