Home ইসলাম নামায পড়ার (ভেতরের) নিয়ম

নামায পড়ার (ভেতরের) নিয়ম

by admin
০ comment

নামায পড়ার (ভেতরের) নিয়ম

মোহাম্মদ আবুল হোসাইন চৌধুরী

 

প্রথমে জায়নামাজে দাঁড়িয়ে জায়নামাযের দোয়া পড়তে হয়। এর পর নিয়ত করতে হবে।

জায়নামাযের দোয়া :   اِنِّئْ وَجَّهْتُ وَجْهِئَ لِلَّذِئْ فَطَرَالسَّمَوَاتِ وَالْاَرْضَ حَنِيْفًا وَّمَا اَنَا مِنَ الْمُشْرِكِيْنَ

উচ্চারণ : ইন্নি ওয়াজ্জাহতু ওয়াজহিয়া লিল্লাযী ফাত্বারাসসামাওয়াতি ওয়াল আরদ্বা হানিফাও ওয়ামা আনা মিনালমুশরিকীন।

অর্থ : নিশ্চয়ই আমি তাঁর দিকে মুখ করলাম। যিনি আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, বস্তুত আমি মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।

নিয়্যত : কোন নামায পড়া হচ্ছে তার ইচ্ছা করার নাম হলো নিয়্যত। আমরা যে নামায পড়বো সে সম্পর্কে মনে মনে স্থির করার পরে আল্লাহু আকবার বলে তাকবীরে তাহরিমা বলে নামায শুরু করতে হবে। যেমন-আমি ফযরের দুই রাকাত সুন্নাত নামায কেবলামুখী হয়ে পড়ছি। কেউ কেউ ইচ্ছা করলে আরবীতেও নিয়্যত করতে পারেন।

দুই রাকা’আত নামায হলে رَكْعَتَئ “রাকা’আতাই”, তিন রাকা’আত নামায হলে رَكْعَتَئ ‘রাকা’আতাই’-এর স্থলে ثلَاثَ رَكْعَاتِ‘‘ছালাছা রাক’আতি’’ এবং ৪ রাকাত হলে اَرْبَعْئَ رَكْعَاتِ “আরবা রাক‘আতি” বলতে হবে।

ফজর اَلْفَجْرِ – এর স্থলে যে ওয়াক্ত বা যে নামায পড়বে সে নাম বলতে হবে। যেমন-যোহর হলে যোহর, আছর হলে আছর, মাগরেব হলে মাগরেব, এশা হলে এশা বলতে হবে। আর নামায ফরয হলে সুন্নাতি রাসূলিল্লাহি (رَسُوْل ِاللهِ سُنَّةِ) এর স্থলে ফারদুল্লাহি (فَرْضُ اللهِ) ওয়াজিব হলে ওয়াজিবুল্লাহি (وَاجٍبُ اللهِ) বলতে হবে।

You may also like