Home ইতিহাস গৌতম বুদ্ধের জীবনী

গৌতম বুদ্ধের জীবনী

by Jafor Salah
০ comment

(গৌতম বুদ্ধের জীবনী পর্ব -১)
প্রচীন ভারতে বর্তমান নেপালের অন্তর্গত হিমালেয়র পাদদেশে ছিল কোশল রাজ্য। রাজ্যে রাজধানী কপিলাবস্তু । কোশলের অধিপতি ছিলেন শাক্যবংশের রাজা শুদ্ধোধন। শুদ্ধোধনের সুখের সংসার একটি মাত্র অভাব ছিল । তার কোন পুত্রসন্তান ছিল না। বিবাহের দীর্ঘদিন পর গর্ভবতী হলেন জ্যেষ্ঠা রানী মায়াদেবী। সে কালের প্রচলিত রীতি অনুসারে সন্তান জন্মাবার সময় পিতৃগৃহে যাথ্রা করলেন মায়াদেবী । পথে লুম্বিনী উদ্যান ।

সেখানে এসে পৌছতেই প্রসব বেদনা উঠল রানীর। যাত্রা স্থগিত রেখে বাগানেই আশ্রয় নিলেন সকলে। সেই উদ্যানেই জন্ম হল বুদ্ধের। যিনি সমস্ত মানবের কল্যাণের জন্য নিজেকে উতসর্গ করেছিলেন, তিনি রাজার পুত্র হয়েও কোন রাজপ্রসাদে জন্মগ্রহণ করলেন না, মুক্ত প্রকৃতির মধ্যে নীল আকাশের নীচে অাবিভুর্ত হলেন । পুত্র জন্মাবার কয়েক দিন পরেই মারা গেলেন মায়াদেবী। শুশুপুত্রের সব ভার নিজের হাতে তুলে নিলেন খালা মহাপ্রজাপতি। শিশুপুত্রের নাম রাখা হল সিদ্ধার্থ। রাজা শুদ্ধোধন জ্যোতিষীদের আদেশ দিলেন শুশুর ভাগ্য গণনা করতে। তারা সিদ্ধার্থের ভাগ্য গণনা করে বললেন, এই শিশু একদিন পৃথিবীর রাজা হবেন । যে দিন এ জরাজীর্ণ বৃদ্ধ মানুষ, রোগগ্রস্ত মানুষ, মৃতদেহ এবং সন্ন্যাসীর দর্শন পাবে সেই দিনই সংসারের সকল মায়া পরিত্যাগ করে গৃহত্যাগ করবে।

চিন্তিত হয়ে পড়লেন শুদ্ধোধন । মন্ত্রীরা পরামর্শ দিলেন এই শিশুকে সুখ, বৈভব আর বিলাসিতার স্রোতে ভাসিয়ে দিন, তাহলে এ আর কোনদিন গৃহত্যাগ সন্নাসী হবে না।

স্বতন্ত্র প্রাসাদেই স্থান হল রাজপুত্র সিদ্ধাথের । যেখানে কোন জরা ব্যাধি মৃত্যুর প্রবেশ করার অধিকার নেই। ধীরে ধীরে বড় হয়ে উঠলেন সিদ্ধার্থ। যৌবনে পা দিতেই রাজা শুদ্ধোধন তার বিবাের আয়োজন করলেন । সম্ভ্রান্ত বংশীয় সুন্দরী কিশোর যশোধরার সাথে বিবাহ হল সিদ্ধাথের । বিবাহের পর কিছু দিন আনন্দ উতসবে মেতে রইলেন সিদ্ধাথ। যথাসময়ে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হল । তার নাম রাখা হল রাহুল। (আজ আর নয় )

You may also like